ময়মনসিংহ সদর উপজেলার আপামর জনসাধারণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এবং বিএনপির আদর্শিক রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম আলহাজ্ব শুক্কুর মাহমুদ ববি। ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এবং বর্তমান সদস্য হিসেবে তিনি দীর্ঘকাল ধরে রাজপথে লড়াকু সৈনিকের ভূমিকা পালন করে আসছেন। আগামী সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই তৃণমূল নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।
নির্জাতন ও ত্যাগের একনিষ্ঠ রাজনৈতিক পথচলা
আলহাজ্ব শুক্কুর মাহমুদ ববির রাজনৈতিক ক্যারিয়ার কোনো কুসুমাস্তীর্ণ পথ ছিল না। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি অসংখ্যবার জেল, জুলুম ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। কিন্তু কোনো রক্তচক্ষু বা নির্যাতন তাকে আদর্শচ্যুত করতে পারেনি। দলের প্রতিটি সংকটকালীন মুহূর্তে তিনি রাজপথে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, যা তাকে একজন একনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত কর্মী হিসেবে দলের হাইকমান্ডের কাছে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে।
জনতার অধিকার আদায়ের সংগ্রাম
কেবল দলীয় পদ-পদবি নয়, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি সর্বদা সোচ্চার। ময়মনসিংহ সদর উপজেলার প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তার সরব উপস্থিতি এলাকাবাসীকে সাহস জুগিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, বরং বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো একজন প্রকৃত অভিভাবক।
শক্তিশালী ও সচেতন অবস্থান
একজন আধুনিক ও সচেতন নেতা হিসেবে শুক্কুর মাহমুদ ববি বিশ্বাস করেন, উপজেলার টেকসই উন্নয়ন এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে হলে স্বচ্ছ ও সাহসী নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং তৃণমূলের সাথে নিবিড় যোগাযোগ তাকে অন্যান্য প্রার্থীদের থেকে যোজন যোজন এগিয়ে রেখেছে।
"জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সুশাসন নিশ্চিত করাই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য; রাজপথের লড়াই থেকে উঠে আসা এই শক্তি নিয়ে আমি সদর উপজেলাকে একটি মডেল ও জনবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।"
— আলহাজ্ব শুক্কুর মাহমুদ ববি
সমাপনী ভাবনা
ময়মনসিংহ সদরের রাজপথের এই পরীক্ষিত সৈনিকের হাত ধরেই উপজেলার আগামীর পথচলা আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। জেল-জুলুম সহ্য করা এই নেতার প্রতি সাধারণ মানুষের এই অকুণ্ঠ সমর্থন আসন্ন নির্বাচনে এক বিশাল প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মতামত