সারাদেশ

ঢাকা জেলার প্রথম নারী এসপি শামীমা পারভীন শিল্পি

প্রিন্ট
ঢাকা জেলার প্রথম নারী এসপি শামীমা পারভীন শিল্পি

প্রকাশিত : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:৫৬

ঢাকা জেলার প্রথম নারী এসপি শামীমা পারভীন শিল্পি ​​মোঃ আবু তালহা সাভার উপজেলা প্রতিনিধি : ​ঢাকা জেলা পুলিশের ইতিহাসে যুক্ত হলো এক নতুন অধ্যায়। ইতিহাসের প্রথমবারের মতো ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন শামীমা পারভীন শিল্পি। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি হওয়া এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, শামীমা পারভীন শিল্পী কে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। এর আগে তিনি পুলিশ অধিদপ্তরে কর্মরত ছিলেন। ​নড়াইল জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করা শামীমা পারভীন শিল্পি মেধাবী ও দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সুপরিচিত। তিনি ২৫তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে ২০০৬ সালের ২১ আগস্ট সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। দীর্ঘ দুই দশকের পেশাগত জীবনে তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ​পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শামীমা পারভীন সাংগঠনিকভাবেও বেশ সক্রিয়। তিনি বাংলাদেশ পুলিশ এসোসিয়েশনের ১ নম্বর যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন তিনি। বিশ্বের ২২টি দেশের নারী পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তিনি আন্তর্জাতিক নারী পুলিশ এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় ও দক্ষিণ এশিয়ার কো-অর্ডিনেটর নির্বাচিত হয়ে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে নেতৃত্বের প্রমাণ দিয়েছেন। ​শামীমা পারভীন শিল্পির শিক্ষাজীবনের বড় একটি অংশ কেটেছে সাভারের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বে ছিলেন। বর্তমানে তিনি জাবি বিসিএস অফিসার্স ফোরামের ২০২৫-২৬ মেয়াদের কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ​ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক, খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং বর্তমান জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুলের সহধর্মিণী। ​ঢাকা জেলার প্রথম নারী এসপি হিসেবে শামীমা পারভীন শিল্পির এই নিয়োগ নারী নেতৃত্বের জন্য এক বিশাল মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তার দক্ষ নেতৃত্বে ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুসংহত হবে এবং জনবান্ধব পুলিশিং সেবা নিশ্চিত হবে।