রাজধানীর শ্যামলীতে কিডনি বিশেষজ্ঞ ডা. কামরুল ইসলাম–এর হাসপাতালে চাঁদাবাজির অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল–এর নেতা মঈন উদ্দিন–সহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৩ এপ্রিল) নড়াইল জেলার কালিয়া এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে মঈন উদ্দিনকে আটক করা হয়। পরে তাকে ঢাকায় আনা হয়। একই মামলায় তার সহযোগী আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, মঈন উদ্দিন ও তার সহযোগীরা শ্যামলীর ওই হাসপাতালে গিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে প্রায় ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করে, যেখানে মঈন উদ্দিনকে প্রধান আসামি করা হয়।
মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানা যায়। পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের মাধ্যমে মঈন উদ্দিনসহ মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলেও জানানো হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে এ ধরনের অপরাধের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ দমনে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা এবং চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি, যাতে সাধারণ রোগী ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত না হয়।
মতামত