সারাদেশ

মসজিদের চাবি না দেওয়ায় সালথায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০

প্রিন্ট
মসজিদের চাবি না দেওয়ায় সালথায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০

ছবি : মসজিদের চাবি না দেওয়ায় সালথায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০


প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর ২০২৫, দুপুর ১২:৫০

ফরিদপুরের সালথার বাহিরদিয়া গ্রামে মসজিদের চাবি না দেওয়ায় বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৫০জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কমপক্ষে ২০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (৬ অক্টোবর) সকাল ৬টার থেকে ১০ পর্যন্ত উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বাহিরদিয়া গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় দুটিবাড়ি ও একটি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আওয়ামী সরকারের পতনের পর থেকে এলাকার আধিপত্যবিস্তার নিয়ে রামকান্তুপুর ইউনিয়নের বাহিরদিয়া গ্রামের লুৎফর রহমান ও ইমরানমোল্যার সঙ্গে মৌলভী হেমায়েত হোসেনের বিরোধ চলে আসছিল। চলমান বিরোধের মধ্যেবৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে লুৎফর রহমান ও ইমরানের সমর্থক নজরুলের কাছে থাকা স্থানীয়মসজিদের দরজার চাবি চাইতে যান মৌলভী হেমায়েত হোসেনের সমর্থকরা। এ সময় চাবি নাদেওয়ায় দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়।

এরপর থেকে দিনভর উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। খবর পেয়ে রাতে পুলিশ,বাহিরদিয়া মাদরাসার আলেমা-ওলামা ও বিএনপি নেতারা গিয়ে ঘটনাটি মিমাংসার চেষ্টা করেনএবং উভয়পক্ষ শান্ত থাকার পরামর্শ দেন। কিন্তু শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে হেমায়েতহোসেনের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে ইমরানের বাড়িতে হামলা চালায়। পরেউভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। প্রায় তিন ঘন্টাব্যাপী চলে সংঘর্ষ ও ধাওয়াপাল্টা ধাওয়া।

সংঘর্ষের সময় দুটি বাড়ি ও একটি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে। এতেউভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত ২০ জনতে ফরিদপুর মেডিকেলকলেজ ও বোয়ালমারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ওই এলাকার পরিবেশ শান্ত রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।