সারাদেশ

পলাশবাড়ীতে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অভিযোগ, সতর্ক থাকার আহ্বান উপজেলা সভাপতির

প্রিন্ট
পলাশবাড়ীতে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অভিযোগ, সতর্ক থাকার আহ্বান উপজেলা সভাপতির

ছবি : পলাশবাড়ীতে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অভিযোগ, সতর্ক থাকার আহ্বান উপজেলা সভাপতির


প্রকাশিত : ২৩ আগস্ট ২০২৫, সন্ধ্যা ৭:০০

পলাশবাড়ীতে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অভিযোগ, সতর্ক থাকার আহ্বান উপজেলা সভাপতির

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি 

মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা 

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ ও আন্দোলনকে দুর্বল করার অভিযোগে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি পলাশবাড়ী উপজেলার বার বার কারা নির্যাতিত বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ তার ফেসবুক পোস্টে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিস্তারিত অভিযোগ তুলে ধরেন।

তিনি অভিযোগ করেন, সজীব ওয়াজেদ জয়ের সাইবার প্রতিষ্ঠান ‘সিআরআই’-এর প্রতিষ্ঠাতা কর্ণধার ও তিতাস গ্যাস কোম্পানির সাবেক পরিচালক তন্মায় আহম্মেদ মুন (ব্লগার মুন)-এর আপন মামা সুরুজ হক লিটন, জিয়াউল হক জুয়েল ও ফরিদুল হক রুবেল বিএনপি সরকারের সময় পলাশবাড়ীতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে কোটি কোটি টাকা বানায়। এর ফলে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয় এবং বিএনপির ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়।

আব্দুস সামাদের দাবি, ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচনের পর ভাগ্নে তন্মায়ের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এ পরিবার আওয়ামী সরকারের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে। এমনকি ২০১৮ সালে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভার সময় তৎকালীন পুলিশের সি-সার্কেলের সহায়তায় তাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

শুধু তাই নয়, ভাগ্নের নাম ব্যবহার করে হাইকোর্টে বিভিন্ন মামলার তদবীর বাণিজ্যের মাধ্যমে তারা আর্থিকভাবে লাভবান হন বলেও তার অভিযোগ। বিভিন্ন সময়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার ও আন্দোলন ব্যাহত করার ক্ষেত্রেও তাদের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১০ থেকে ১২ বছরে এমনকি জুলাই-আগস্টের আন্দোলন-সংগ্রামের সময়ও এ পরিবারকে রাজপথে দেখা যায়নি। কিন্তু ৫ই আগস্টের পট পরিবর্তনের পর তারা আবারও টাকা-পয়সার প্রভাব খাটিয়ে কিছু সুযোগসন্ধানীকে একত্র করে বিএনপিতে সক্রিয় হওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি অভিযোগ করে বলেন, এরা বিএনপির আন্দোলন ও রাজনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বারবার। তাই পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপি সহ দলের সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং সচেতন মহলকে এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উপজেলা সভাপতির এই বক্তব্য স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে নতুন মাত্রা যুক্ত করলো। যদিও অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।