লালমনিরহাট ১৭ সংসদীয় আসন তথা ( লালমনিরহাট-২) আসনে কেন জাহাঙ্গীর আলম মহোদয়ই যোগ্য এবং নমিনেশন পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল—এই নিয়ে কয়েকটি গভীর, লজিক্যাল যুক্তি তুলে ধরা যায়—
১. দীর্ঘমেয়াদি তৃণমূল রাজনীতি ও সাংগঠনিক দখল
জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এই আসনের রাজপথে সক্রিয়। তিনি দলীয় প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে ছিলেন, গ্রেফতার-মামলা মোকাবিলা করেছেন, কিন্তু দল ছাড়েননি। তৃণমূল পর্যায়ে তাঁর দৃঢ় নেটওয়ার্ক ও লয়্যাল কর্মীবাহিনী আছে, যা নির্বাচনের জন্য জাতীয়তাবাদী দলের জন্য সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।
২. ভোটের মাঠে গ্রহণযোগ্যতা:
স্থানীয়ভাবে তিনি “কর্মীবান্ধব” নেতা হিসেবে পরিচিত। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে তাঁর সরাসরি সম্পর্ক আছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে জনপ্রিয়তা শুধু রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও সামাজিক উদ্যোগ থেকেও তৈরি হয়েছে—যেমন শিক্ষা, ক্রীড়া ও সামাজিক সহায়তা কার্যক্রম।
৩. প্রতিদ্বন্দ্বিতার সক্ষমতা ও বিজয়ের নিশ্চয়তা:
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলগুলো এমন প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতে চায়, যিনি সৎ,ন্যায়পরায়ণ এবং কর্মী,সাধারণ মানুষদের আগলে রাখবেন । জাহাঙ্গীর আলমের ভোট ব্যাংক সাচ্চা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী কর্মী , বাইরে নির্দলীয় ও সংখ্যালঘিষ্ঠ ভোটারদের কাছেও বিস্তৃত। প্রতিদ্বন্দ্বী দলের শক্ত প্রার্থীদের মোকাবিলায় তাঁর মাঠ-সংগঠন ও জনসংযোগ দক্ষতা বড় সুবিধা।
৪. স্থানীয় উন্নয়ন ও পরিচিতি
তিনি পূর্বে বিভিন্ন সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন, যার ফলে এলাকা ভিত্তিক একটি “উন্নয়নমুখী” ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছে। এবং তিনি বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু মহোদয়ের অত্যন্ত আস্থাভাজন।
৫. কৌশলগত দিক
দলীয় নেতৃত্ব সাধারণত এমন প্রার্থী বেছে নেয় যিন
দলীয় বিভাজন মিটিয়ে সবাইকে একত্রিকরণ করায় দক্ষ।(তার নেতৃত্বে কালীগঞ্জ উপজেলায় গ্রুপিং এর রাজনীতি অনেকটাই কমে গিয়েছে)
জনমত সামলাতে দক্ষ(তিনি কালিগঞ্জ তথা আদিতমারীর জনগণের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ)
জাহাঙ্গীর আলম এই দুই ক্ষেত্রেই শক্ত অবস্থানে, যা তাঁকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘প্রথম সারির প্রার্থী’তে পরিণত করছে।
মতামত