ছবি : "চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া গ্রামের রাস্তা—যেখানে প্রতিদিন কাঁদামাটি মাড়িয়ে স্কুলে যায় শত শত শিক্ষার্থী।"
সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানার অন্তর্গত ৪ নং চরনারচর ইউনিয়নের শ্যামারচর বাজারসংলগ্ন পেরুয়া গ্রামের মানুষ আজও অবহেলার চরম শিকার। যোগাযোগের একমাত্র প্রধান রাস্তা এখনো পাকা হয়নি। প্রতিদিন হাজারো মানুষ, শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ পথচারী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাফেরা করেন এ কাদাযুক্ত কাঁচা রাস্তা দিয়ে।
বর্ষা এলে রাস্তা রূপ নেয় কাদার মাঠে, আর শুকনো মৌসুমে উড়তে থাকে ধুলার ঝড়। সবচেয়ে বেশি কষ্টের শিকার হচ্ছে গ্রামের কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা। কাঁদামাটি মাড়িয়ে স্কুলে যেতে গিয়ে প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ে অনেক শিশু।
পথে কাদা জমে থাকার কারণে বাচ্চাদের স্কুলে পৌঁছানো দুরূহ হয়ে পড়েছে। অনেক মা-বাবা জানিয়েছেন, "এই রাস্তা দিয়ে মেয়ে সন্তানদের স্কুলে পাঠানো কঠিন। কখন পড়ে গিয়ে আহত হয়, সেই চিন্তায় থাকি সবসময়।"
এই ইউনিয়ন থেকে বহুবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন এই গ্রামেরই মানুষ। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পরিতোষ রায় নিজেও এই পেরুয়া গ্রামের সন্তান। তার নেতৃত্বে উন্নয়নের আশায় বুক বেঁধেছিলেন গ্রামবাসী।
গ্রামের সচেতন জনগণ বলেন,
“আমরা কোনো বিলাসিতা চাই না। চাই শুধু কাদা থেকে মুক্তি। আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মুখের দিকে তাকিয়ে হলেও একটি পাকা রাস্তার ব্যবস্থা করুন।”
এই প্রতিবেদনটি জনদৃষ্টি আকর্ষণের একটি উদ্যোগ। আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি পরিতোষ রায়, উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাই—এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের, বিশেষ করে শিশুদের চলাচলের সুবিধার্থে পাকা রাস্তা নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।
মতামত