অসাধু চক্রের বিরাগভাজন এসিল্যান্ড রুবাইয়া বিনতে কাশেম: সততা ও ন্যায়নিষ্ঠতায় আস্থার প্রতীক
নিজস্ব প্রতিবেদক, আবদুল আউয়াল কোম্পানীগঞ্জ নোয়াখালী।
১০ মে, ২০২৬
কোম্পানীগঞ্জ: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া বিনতে কাশেম বর্তমানে স্থানীয় প্রশাসন ও জনমহলে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। একদিকে স্বার্থান্বেষী মহলের মামলা ও অপপ্রচার, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন—সব মিলিয়ে তাঁর আপসহীন কর্মকাণ্ড নিয়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।
সততায় সাধারণ মানুষের আস্থা:
স্থানীয় সূত্র ও সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দায়িত্ব পালনে সততা, স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব মনোভাবের কারণে অল্প সময়েই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন এই কর্মকর্তা। ভূমি সংক্রান্ত সেবা সহজীকরণ, নামজারি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা, অনিয়ম প্রতিরোধ এবং ভোগান্তি কমাতে তাঁর নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ ইতোমধ্যেই সাধারণ মহলে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
দালালচক্রের ক্ষোভ ও ষড়যন্ত্র:
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি অসাধু দালালচক্র ভূমি অফিসকেন্দ্রিক নানা অনিয়ম ও অবৈধ সুবিধা ভোগ করে আসছিল। তবে রুবাইয়া বিনতে কাশেম দায়িত্ব গ্রহণের পর এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করেন। ফলে সাধারণ মানুষ দালালমুক্ত সেবা পেলেও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে সেই স্বার্থান্বেষী মহলটি।
পরিকল্পিত অপপ্রচার ও হয়রানি:
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অনিয়মে বাধা পাওয়ায় ওই চক্রটি পরিকল্পিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো এবং মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগও উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব অপচেষ্টার মূল উদ্দেশ্য হলো একজন সৎ কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে তাঁকে চাপে ফেলা এবং প্রশাসনের স্বচ্ছ কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা।
সুশাসনের ওপর আঘাত:
গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অভিমত, একজন দায়িত্বশীল ও ন্যায়নিষ্ঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আক্রমণ শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়; বরং এটি সুশাসন ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি অপচেষ্টা। দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কর্মকর্তাদের সুরক্ষা দেওয়া সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
অদম্য পথচলা:
এদিকে সকল চাপ, সমালোচনা ও প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও রুবাইয়া বিনতে কাশেম তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন অব্যাহত রেখেছেন। তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের ভাষ্যমতে, তিনি বিশ্বাস করেন—সততাই সবচেয়ে বড় শক্তি, আর জনসেবাই একজন সরকারি কর্মকর্তার প্রকৃত পরিচয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, জনস্বার্থে কাজ করা এমন সৎ কর্মকর্তাদের নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে ভিত্তিহীন অপপ্রচার ও হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ডের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তারা।
পরামর্শ:
নিউজটি প্রকাশের সময় যদি কোনো সেবাগ্রহীতা বা স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তির সরাসরি উদ্ধৃতি (নামসহ) যোগ করতে পারেন, তবে প্রতিবেদনের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে।
এসিল্যান্ড মহোদয়ের কোনো বক্তব্য নেওয়ার সুযোগ থাকলে তা ‘বক্স আইটেম’ হিসেবে যুক্ত করতে পারেন।
মতামত