সারাদেশ

ঝালকা‌ঠি হবে বাংলাদেশের প্রথম জেলা শহর: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার

প্রিন্ট
ঝালকা‌ঠি হবে বাংলাদেশের প্রথম জেলা শহর: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার

ছবি : ঝালকা‌ঠি হবে বাংলা‌দে‌শের প্রথম জেলা শহর: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার


প্রকাশিত : ২৪ মার্চ ২০২৬, রাত ১০:০৭

অমিত বনিক অপু, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: আমরা এক‌টি প‌রিচ্ছন্ন শহর গ‌ড়তে চাই যেখা‌নে মানুষ বুক ভ‌রে শ্বাস নি‌তে পার‌বে, শ্বা‌সের ম‌ধ্যে কোন গন্ধ পা‌বে না। ঝালকা‌ঠি হ‌বে বাংলা‌দে‌শের প্রথম জেলা শহর। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে ৪ টায় ঝালকাঠি শহরের বড় বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মালিক সমিতির আয়োজনে পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন উপলক্ষে পরিকল্পনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের প্রধান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার এসব কথা বলেন। ‎পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি বলেন, অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ছে। খাদ্যবর্জ্য, প্লাস্টিক ও অন্যান্য আবর্জনা থেকে তৈরি জীবাণু ও বিষাক্ত উপাদান মাটি, পানি ও বায়ুর মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করছে। এসব বর্জ্য ভেঙে মাইক্রোপ্লাস্টিকে পরিণত হয়ে মাছের শরীরে জমা হচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত মানুষের খাদ্যচক্রে ঢুকে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। ‎তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপরিশোধিত বর্জ্য থেকে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ক্ষতিকর রাসায়নিক ছড়িয়ে ডায়রিয়া, টাইফয়েড, চর্মরোগসহ নানা রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। প্লাস্টিক ও পলিথিন মাটির উর্বরতা নষ্ট করছে, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে। ‎ ‎ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, এই সমস্যা সমাধানে ব্যাপক গণসচেতনতা তৈরি করা জরুরি। প্রতিটি ঘরে ঘরে মানুষকে সচেতন করতে হবে, যাতে সবাই নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলে। স্থানীয় সরকার, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ জনগণকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ‎তিনি আরও বলেন, বর্জ্য আলাদা করা (জৈব ও অজৈব), পুনর্ব্যবহার এবং আধুনিক বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ চালু করতে পারলে এই সংকট অনেকাংশে কমানো সম্ভব। সবার সম্মিলিত উদ্যোগেই একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তোলা সম্ভব বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ‎পরিকল্পনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন, জেলা জামায়াত ইসলামির আমির অ্যাভোকেট হাফিজুর রহমান, ‎অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও পৌর প্রশাসক মো. কাওছার হোসেন, ঢাকা শিশু হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. খালিদ মাহমুদ শাকিলসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী, বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ, বিএনপির নেতাকর্মী, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।