রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নে ভিজিডি ভাতার কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বন্দবেড় ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুটির চর গ্রামের বাসিন্দা ও গ্রাম পুলিশ মামুন অসচ্ছল কয়েক জন ব্যক্তির কাছ থেকে ভিজিডি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে মোট ১৯ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। পরে দীর্ঘ সময় পার হলেও কার্ড না পাওয়ায় প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারেন ভূক্তভোগীরা।একই অভিযোগ করেন অসহায় নারী শাহিনা বেগম তিনি জানান, গত চার বছর আগে টিনের নাম দেওয়ার কথা বলে ৫ হাজার টাকা নেন। সেই নাম দিতে ব্যর্থ হয়। পরে আবার ভিজিডি কার্ডের নাম দেওয়ার কথা বলে ৩ হাজার টানা নেন সেটাও বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে ভুক্তভোগী চেয়ারম্যানকে অভিযোগ দিলে ইউপি সদস্য কাজিমকে দ্বায়িত্ব দেন চেয়ারম্যান। তিনিও টাকা আদায় করে দিতে পারেননি। কোনো উপায় না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।এব্যাপারে শাহিনা বেগম বলেন, সরকারি ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় কার্ড পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে গ্রাম পুলিশ মামুন তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় টাকা নেন। কিন্তু পরে কোনো কার্ড না দিয়ে যোগাযোগও এড়িয়ে চলেন তিনি। টাকা দেই দিচ্ছি বলে কয়েক বছর পার হলেও টাকা পাচ্ছি না।এ বিষয়ে ভূক্তভোগীরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অর্থ ফেরতসহ দোষীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ মামুনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, টাকা দেওয়ার চেষ্টা করছি।বন্দবেড় ইউপি সদস্য কাজিম উদ্দিন বলেন, চেয়ারম্যান গ্রাম পুলিশ মামুন এর বিরুদ্ধে টাকা লেনদেন বিষয়ে দায়িত্ব দিলে চেষ্টা করি সমাধান করতে আমাকেউ অনেক ঘুরায়। পরে আমিও আশা ছেড়ে দিছি। বন্দবেড় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের বলেন, কাজিম মেম্বার কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমিও চেষ্টা করছি।এ প্রসঙ্গে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলাউদ্দিন বলেন, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতামত