ছবি : সালথায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষকের বাড়িতে ছুটে গেলেন শামা ওবায়েদ
নিজ নির্বাচনি এলাকা ফরিদপুরের সালথায় দুই মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত শিক্ষক এস এম ইব্রাহিম শেখের বাড়ি গিয়ে তার পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু।
রবিবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদী গ্রামে নিহতের নিজ বাড়িতে যান তিনি। এ সময় শোক সম্ভ্রান্ত পরিবারের খোজ-খবর নেন এবং নিহতের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়ায় অংশ গ্রহণ করেন।
পরে নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে শামা ওবায়েদ বলেন, সালথা উপজেলার কাগদী গ্রামের প্রিয়মুখ, সবার শ্রদ্ধার মানুষ ইব্রাহিম মাস্টার ১৮ অক্টোবর এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তাঁর এই অকাল প্রয়াণে সমগ্র এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে বেহেশতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন- আমিন।
উল্লেখ্য, রবিবার সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নে ফুকরা ঈদগাহ এলাকায় সালথা-সোনাপুর আঞ্চলিক সড়কে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হন শিক্ষক এস এম ইব্রাহিম শেখ (৪৫) । এ ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীসহ আরো তিন আহত হয়। তাদের মধ্যে একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত ইব্রাহিম সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদী গ্রামের মো. আব্দুর রব শেখের ছেলে। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক। ইব্রাহিম উপজেলার যোগাড়দিয়া উচ্চ-বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এদিকে নিহত শিক্ষকের এমন মৃত্যুতে স্বজন ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
যোগারদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার দাস জানান, রবিবার সকালে শিক্ষক ইব্রাহিম স্কুলের দুই শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে উপজেলা সদরে একটি প্রোগ্রামে যাচ্ছিলেন। পথে সালথা-সোনাপুর সড়কের ফুকরা ঈদগাহ এলাকায় তার মোটরসাইকেলটি পৌছালে স্থানীয় গ্রামের ভেতর থেকে ওঠে আসা মোটরসাইকেলের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে উভয় মোটরসাইকেলে থাকা ৪ জন আহত হন। পরে সালথা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা শিক্ষক ইব্রাহিমকে মৃত ঘোষনা করেন৷ অপর মোটরসাইকেল চালক বাসার খালাসী (৩৫) গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহত শিক্ষক ইব্রাহিমের সঙ্গে থাকা দুই শিক্ষার্থী আসিবুল ও শাহিনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মতামত