ছবি : shihab
করতোয়ার তীরে বটবৃক্ষ দাঁড়ায়,
শিকড়ে আঁকড়ে শত বছরের ছায়।
ডালে ডালে ভেসে আসে নদীর গান,
পথিকের বিশ্রাম—প্রকৃতির প্রাণ।
জায়গাটা আমার কাছে অনেক ভালই লেগেছে। বগুড়া শহরের বনানী থেকে অনেক কাছেই হবে জায়গাটা। বেজোড়া দক্ষিণপাড়া থেকে যে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই বলে দিবে নদীর পাশের বটগাছটা কোথায়।
ফটোতে যেমনটি দেখতে পাচ্ছেন আসলে জায়গাটা ঠিক তেমনি তবে ফটোটা কিছুটা এডিটেড। দূর থেকে দেখে কিছুটা ভীতিকর মনে হলেও তেমন ভয়ের কোন কারণ নেই আমার মনে হয়। ফটোতে দেখে জায়গাটার যে আসল মাধুর্য এবং সৌন্দর্য সম্পূর্ণ ফুটে উঠছে না যা কেবল চোখ দিয়ে দেখলেই বুঝা যাবে।
জায়গাটি খুঁজে পেয়েছি আমি এবং আমার ভাই বাইক নিয়ে ঘুরতে বের হয়ে। হঠাৎ রাস্তার বা পাশে চোখ শীতল করা একটি রাস্তা দেখতে পেলাম এবং হালকা ব্রেক দিয়ে একটি লোককে জিজ্ঞেস করলাম চাচা এই রাস্তাটা কোথায় গেছে।
লোকটি বলল একদম সোজা নদীর পাড় একটা বটের গাছ আছে যাও। শুনে বেশ ভালই লাগলো ততক্ষণাত দেরি না করে সোজা রওনা হলাম। দুই মিনিটের মধ্যে পৌঁছে গেলাম। গাছটি দেখে একটু দূর থেকে কিছুটা ভীতিকর মনে হচ্ছিল কেন জানি, বটের গাছ ত ভুত টুত থাকতে পারে আর কি- হাহা ।ভাই বলল সমস্যা নেই যাও কাছে থেকে দেখে আসি।
ভাইয়ের কথামতো কাছে গেলাম গিয়ে দেখি , নদীর শীতল বাতাস আর নিরিবিলি পরিবেশ একদম মন ছুঁয়ে যাচ্ছে। যেন মনে হচ্ছে শহরের এই কোলাহল শব্দ সবকিছু ছেড়ে এখানেই বসে থাকি। আবার গাছটির দিকেও তাকাচ্ছিলাম তার শাখা-প্রশাখা তার বিশালতা না জানি কত বছর ধরে সে দাঁড়িয়ে আছে এখানে।কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে জায়গাটার অনুভব করলাম। বেশ ভালই লাগলো।
এটি কিন্তু কোন ঘোরার জায়গা না। নিরিবিলি সুন্দর একটি জায়গা বটের গাছ আমার কাছে বেশ ভালই লেগেছে তাই আপনাদের মাঝে শেয়ার করা।
মজার কথা বলি মানে হয়েছে কি দুইদিন হল নিজেকে কেন জানি কবি কবি ভাব চলে এসেছে। আর কবিদের কিছুতো একটা লিখতে হবে তাই লিখলাম আর কি।
আর আপনারা গেলে যাবেন না গেলে নাই আসলে জায়গাটাতে তেমন খুব একটা কিছু নেই, আবার ভাবলে অনেক কিছুই আছে।
যাইহোক আমি শিহাবুল্লাহ মারুফ।
আল্লাহ হাফেজ।
লেখাটি নিয়ে অন্য একটি কাহিনী আছে পরে একদিন বলব
মতামত