ছবি : ফুলছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কাতলামারীর মাটিতেই প্রতিষ্ঠিত হওয়া উপযোগী
ফুলছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কাতলামারীর মাটিতেই প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগসুবিধা ও উপকারিতা
রেজাদুল ইসলাম রেজা মোঃ
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
গাইবান্ধা সদর ফুলছড়ি উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের মধ্যে পাঁচ পাচটি একবারে সম্পুর্ন নদী গর্ভে বিলীন। আর বাকী দুটি র অর্ধেক বিলীন। তাই কাতলামারী তে হলে সকলদিক থেকে সুযোগ সুবিধা পাবে।নদী পথে পাচটি ইউনিয়নের ছাত্র ছাত্রী সহজে আসতে পারবে। এবং যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক , যা শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক সুবিধা
আর কাতলামারী গ্রাম আজ নদী শাসন বা ব্লকের কাজ চলমান। সরকার স্থায়ী নদী শাসন কাজের আওতায় কাতলামারী। যেমন গজারিয়া উদাখালী,বাদিয়াখালী,কাতলামারী,ভরতখালী,
পদুমশহর ইউনিয়ন গুলো অতি নিকটে রাস্তা-ঘাট তথা যোগাযোগ ব্যাবস্থা উন্নত হয়েছে।
আর সেই সাথে অবহেলিত জনগণ তথা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া উন্নত বিশ্বে দেখেন। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সব প্রতিষ্ঠান নদীর ধারে।
কালিরবাজারে সমমনা মনের একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে একই যায়গায় আরেকটি প্রতিষ্ঠান হলে শিক্ষার্থী সংকটে পরবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। তাই সরকারের সিদ্ধান্ত টি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। যা অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জন্য বয়ে আনবেন শিক্ষা,সাংস্কৃতিক ইউনিয়নের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার আলো, ছড়িয়ে রবে সবাই মাঝে।
ফুলছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কাতলামারীর মাটিতেই প্রতিষ্ঠিত হওয়া উপযোগী
মতামত