ছবি : রিফাইতপুর দক্ষিণ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
গাইবান্ধায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা
বিদ্যালয়ের সরকারি অর্থ আত্মসাৎ স্কুলের জায়গা দেওয়ার ভুয়া দাতা সাজার অভিযোগ পাওয়া যায় প্রধান শিক্ষক আলতাব হোসেনের বিরুদ্ধে।
গাইবান্ধার সদর পুরাতন বাদিয়াখালীর রিফাইতপুর দক্ষিণ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার পুরাতন বাদিয়াখালী ইউনিয়নের রিফাইতপুর দক্ষিণ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলতাব হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়। বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা সময়মতো উপস্থিত হন না। সকাল ৯টায় ক্লাস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বেশিরভাগ শিক্ষক ১০টা থেকে ১০টা ৩০ মিনিটের মধ্যে আসেন। আবার বিকাল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত ক্লাস চলার কথা থাকলেও শিক্ষকরা ৩টা ৩০ মিনিটের আগেই ছুটি দিয়ে দেন। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে।
এছাড়া, অভিযোগ রয়েছে প্রধান শিক্ষক ২০০৬ ইং সালে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে থাকা অবস্থায় কোন নির্বাচিত ছাড়ায় এডহক কমিটিতে নিজের পছন্দমতো সদস্য নিয়োগ দিয়েছেন। বিদ্যালয়ের স্লিপ বিক্রির টাকা নিজের তৈরি ভাউচারে দেখিয়ে অফিসে জমা দেন তিনি। অথচ সেই অর্থে কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয় না। নিজের স্ত্রীকে কে সহকারী শিক্ষক করে নিয়েছে। এই স্কুলে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনেকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়াও স্কুলের মুল জায়গাটি এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আলতাব হোসেনের মা আলিববি বেগমের নামে নয়। জায়গাটির মুল মালিক ইছিতন নেছা।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা কালীন। গাইবান্ধা সদর ২ আসনের এম পি হুইপ মাহাবুব আরা গিনির ক্ষমতায় জায়গাটি জোর করে হুমকি ধামকি দিয়ে বেদখল করে। এবং স্কুলটি স্থাপন করেন। জায়গার মুল মালিক ইছিতন নেছা বাধা দিতে গেলে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী ইছিতন নেছা কে হত্যার হুমকি ধামকি ও নানান রকমের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। স্বৈরাচারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের জেলা আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী ও ক্যাডার বাহিনী ইছিতন নেছা কে জিম্মি করে স্কুলটি স্থাপন করেন।
সরেজমিনে জানা যায় আলতাব হোসেন সে একজন ভূমি দস্যু।
অভিযোগ আরও রয়েছে, পরীক্ষার সময় ব্ল্যাকবোর্ডে উত্তর লিখে দিয়ে শিক্ষার্থীদের বেশি নম্বর পাইয়ে দেন শিক্ষকরা, যা প্রধান শিক্ষকের নির্দেশেই করা হয়। এছাড়া প্রায়ই তিনি বিভিন্ন কাজে’ বিদ্যালয় ত্যাগ করেন এবং ছুটি না নিয়েই পরদিন এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন।
ফলে বিদ্যালয়ের সরকারি অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ পাওয়া যায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
গাইবান্ধা সদর ইউএনও মাহমুদ আল হাসান স্যারের সুদৃষ্টি কামনা করছি। এ বিষয়টি নজরে নিয়ে সঠিক তদন্ত করে প্রধান শিক্ষক আলতাব হোসেনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।
মতামত