ছবি : সালথায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কামরুলের নির্বাচনী পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ
প্রকাশিত : ২৯ মে ২০২৬, দুপুর ২:৩৭
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার ১নং রামকান্তপুর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল ইসলামের ঈদের শুভেচ্ছা সম্বলিত পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২৯ মে) সকালে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের রামকান্তপুর গ্রামের বিশ্বাসবাড়ি মোড়ে ছেঁড়া পোস্টারগুলো মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়দের ধারণা, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা এই পোস্টারগুলো ছিঁড়ে ফেলেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শুভেচ্ছা পোস্টার টানিয়েছিলেন কামরুল ইসলাম। রাতের আঁধারে সেসব পোস্টারের বেশ কিছু অংশ ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার সমর্থকরা।
এ ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরেই এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এমন কর্মকাণ্ড এলাকার সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশকে ব্যাহত করবে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার বলেন, "পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা কোনো সভ্য রাজনৈতিক আচরণ হতে পারে না। মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু এভাবে একজন সম্ভাব্য প্রার্থীর প্রচারণা নষ্ট করা দুঃখজনক। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।"
ক্ষোভ প্রকাশ করে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুল ইসলাম বলেন, “ঈদ উপলক্ষে সাধারণ মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে আমি পোস্টার টানিয়েছিলাম। কিন্তু কিছু দুর্বৃত্ত রাতের আঁধারে সেগুলো ছিঁড়ে ফেলেছে। আমি সবসময় শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশে বিশ্বাস করি। যারা এ ধরনের নোংরা কাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”
এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান বলেন, “এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মতামত