বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল পাবনা সদর পৌর শাখার আসন্ন কমিটিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন চলছে নেতৃত্ব নির্ধারণের আলোচনা, তখন সাংগঠনিক সম্পাদক পদে তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, আস্থা ও সমর্থনের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন রাজপথের পরীক্ষিত, ত্যাগী ও কর্মীবান্ধব ছাত্রনেতা রাফসান রাতুল।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দলীয় সংকটকালে সাহসী ভূমিকার মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন গ্রহণযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য নেতৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পাবনা পৌর ছাত্রদলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করতে হলে প্রয়োজন এমন একজন নেতৃত্ব, যিনি রাজপথ, কর্মী ও সংগঠন—তিন ক্ষেত্রেই পরীক্ষিত; আর সেই বিবেচনায় রাফসান রাতুলের নামই এখন সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিগত কয়েক বছরে পাবনা জেলা ও পৌর ছাত্রদলের প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মসূচি, প্রতিবাদ, আন্দোলন, মিছিল, সমাবেশ এবং সাংগঠনিক তৎপরতায় সম্মুখসারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন রাফসান রাতুল। ফলে তিনি শুধু একজন পদপ্রার্থী নন, বরং তৃণমূলের কাছে একটি প্রত্যাশার নাম হয়ে উঠেছেন।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রার্থী রাফসান রাতুল বলেন,
“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় ছাত্ররাজনীতিকে গণমানুষের অধিকার আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে দেখতে চাই। পাবনা পৌর ছাত্রদলকে একটি আদর্শিক, সুসংগঠিত ও শক্তিশালী ইউনিটে রূপান্তর করাই আমার অঙ্গীকার। রাজপথের প্রতিটি আন্দোলনে যেমন ছিলাম, ভবিষ্যতেও সংগঠনের স্বার্থে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দেব।”
তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করছেন,
যোগ্যতা, ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা ও মাঠপর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতার নিরিখে রাফসান রাতুলই সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সবচেয়ে উপযুক্ত প্রার্থী। তাদের বিশ্বাস, তার নেতৃত্বে পাবনা পৌর ছাত্রদল আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও কার্যকর রাজনৈতিক ইউনিটে পরিণত হবে।
উল্লেখ্য, আসন্ন পাবনা পৌর ছাত্রদলের সম্মেলন ঘিরে জেলা রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্দীপনা। নেতৃত্ব বাছাইয়ে ত্যাগ, দক্ষতা ও রাজপথের পরীক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
মতামত