সারাদেশ

কে এম ওবায়দুর রহমানের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

প্রিন্ট
কে এম ওবায়দুর রহমানের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

ছবি : কে এম ওবায়দুর রহমানের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত


প্রকাশিত : ২৪ মার্চ ২০২৬, রাত ১২:১৫

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা তাকে মানুষের সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন এবং তিনি আজীবন মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে চান। তবে এই সেবামূলক কাজে কেউ বাধা দিলে তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেন। তিনি আরও বলেন, গত রমজান মাসে প্রতি শুক্রবার আমি আপনাদের পাশে ছিলাম। আগেও বলেছি, এখনও বলছি নির্বাচনের পর আমাকে কেউ থামাতে পারেনি। মানুষের যেখানে সমস্যা, সেখানেই আমি ছুটে যাই। আপনারা যে কোনো সমস্যা জানালেই ইনশাআল্লাহ সর্বোচ্চ চেষ্টা করে তা সমাধান করব। বাবার স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, তার বাবা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন এবং দীর্ঘ সময় কারাগারে ছিলেন। তিনি সারাজীবন মানুষের জন্য কাজ করেছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে তিনি জাগো দল এবং পরে বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তার অবর্তমানে গত ১৭ বছর ধরে তিনি জনগণের সেবা করে যাচ্ছেন। সোমবার (২৩ মার্চ) ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা সদরের এমএন একাডেমি মাঠে স্থানীয় বিএনপির আয়োজনে বিএনপির সাবেক মহাসচিব কেএম ওবায়দুর রহমানের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা নিজেদের ওবায়দুর রহমানের সৈনিক দাবি করেন, তারা সত্যিই তার আদর্শ ধারণ করছেন কিনা সেটা নিজেদের কাছে প্রশ্ন করুন। মঞ্চে উঠে একে অপরের সমালোচনা করা সহজ, কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করা এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করা কঠিন। বক্তৃতার চেয়ে সংগঠন গোছানো এবং জনগণের পাশে থাকা বেশি জরুরি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনের অল্প সময়ের মধ্যেই নির্বাচনী ইশতেহারের অনেক কাজ শুরু হয়েছে। আমার নাম ব্যবহার করে কেউ যেন দুর্নীতি বা অনিয়ম করতে না পারে, সে বিষয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার উন্নয়নে দ্রুত কাজ শুরু হবে। প্রতিটি ইউনিয়নের রাস্তা, ব্রিজ, মসজিদ ও মন্দিরের প্রয়োজনীয়তার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং খুব শিগগিরই এসব কাজ বাস্তবায়ন শুরু হবে। দুর্নীতি ও মাদকবিরোধী অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমি একটি মাদকমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত সালথা-নগরকান্দা গড়ে তুলতে চাই। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। নেতাকর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, নেতৃত্ব চিরস্থায়ী নয়। সংগঠনকে শক্তিশালী করতে না পারলে অর্জন ধরে রাখা সম্ভব হবে না। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা যথাযথভাবে পালন করতে চাই। এজন্য স্থানীয় নেতাকর্মীদেরও সাংগঠনিক দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে হবে। অনুষ্ঠানে বিএনপির জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।