সারাদেশ

ফেনী সদর থানায় একাধিক মাদক মামলার আসামি হিসেবে তালিকাভুক্ত মোঃ সোহেল (৩৫) ও তার সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত তার ভাই বাবলুকে ঘিরে আবারও আলোচনায় ফেনীর সিলোনিয়া ইউনিয়নের লালপোল এলাকা।

প্রিন্ট
ফেনী সদর থানায় একাধিক মাদক মামলার আসামি হিসেবে তালিকাভুক্ত মোঃ সোহেল (৩৫) ও তার সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত তার ভাই বাবলুকে ঘিরে আবারও আলোচনায় ফেনীর সিলোনিয়া ইউনিয়নের লালপোল এলাকা।

প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, সকাল ১০:৩০

ফেনী প্রতিনিধি: ফেনী সদর থানায় একাধিক মাদক মামলার আসামি হিসেবে তালিকাভুক্ত মোঃ সোহেল (৩৫) ও তার সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত তার ভাই বাবলুকে ঘিরে আবারও আলোচনায় ফেনীর সিলোনিয়া ইউনিয়নের লালপোল এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সোহেল ও তার ভাই বাবলু ওই এলাকায় মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত। অভিযোগ রয়েছে, তারা আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে মাদক সরবরাহ করে আসছে, যা স্থানীয় যুব সমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছে। অভিযোগকারীরা বলেন, “সোহেল ও তার ভাই বাবলুর কারণে ফেনী সরকারি কলেজ, জয়নাল হাজারী কলেজ, শাহীন একাডেমি, নাসিম মেমোরিয়াল কলেজসহ আশপাশের স্কুল–কলেজের অনেক শিক্ষার্থী মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। এখনই তাদের আইনের আওতায় না আনলে যুব সমাজকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাবে।” থানা সূত্রে জানা গেছে, মোঃ সোহেল ফেনী সদর উপজেলার সিলোনিয়া ইউনিয়নের লালপোল এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা মোঃ বাহার উদ্দিন এবং মাতা রোকেয়া বেগম। তার বিরুদ্ধে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ রেকর্ড অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে অন্তত পাঁচটি মাদক সংক্রান্ত মামলা দায়ের হয়। এসব মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। একাধিকবার তাকে গ্রেপ্তার ও তদন্তের আওতায় আনা হলেও অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া এখনও চলমান রয়েছে। ফেনী সদর থানার এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, “সোহেলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। বিষয়গুলো তদন্তাধীন। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, মাদক ব্যবসার বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারি জরুরি। আইনজ্ঞদের মতে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অপরাধ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে এবং এতে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। স্থানীয়রা আশা করছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে দ্রুতই এই অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।