কুমিল্লা-১১ সাবেক এমপি ডা. কামারুজ্জামানের জানাজায় জনস্রোত
শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
প্রতিনিধি: মনিরুল ইসলাম,
জেলা স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা
কুমিল্লার দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করা বিশিষ্ট চিকিৎসক ও শিক্ষানুরাগী, সাবেক সংসদ সদস্য ডা. একেএম কামারুজ্জামান এর জানাজায় জনস্রোত নেমে আসে। শনিবার বিকেলে উপজেলার এ আর মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় তার জানাজায় নামাজ।
জানাজায় অংশ নেন— কুমিল্লার সাবেক এমপি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী, সাবেক এমপি আবদুল গফুর ভূঁইয়া, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা-১০ আসনের প্রার্থী ইয়াসির আরাফাত, এনসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক জয়নাল আবেদীন শিশির, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, যুগ্ম আহবায়ক আমিরুজ্জামান আমির, মাহবুব চৌধুরী, নজরুল হক ভূঁইয়া স্বপন, মোস্তফা জামান, সরওয়ার জাহান দোলন, কুমিল্লা মহানগর বিএনপি সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি শোয়েব খন্দকার, নাঙ্গলকোট পৌর বিএনপির আহবায়ক আনোয়ার হোসেন মুকুলসহ হাজারো জনসাধারণ।
জনমানসে ডা. জামান
ডা. কামারুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট ও আশপাশের এলাকায় চিকিৎসাসেবা দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করেছিলেন। অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের পাশে দাঁড়ানো, মানবিক সেবা ও আন্তরিক ব্যবহারের জন্য তিনি ছিলেন সর্বজনের শ্রদ্ধাভাজন।
একই সঙ্গে তিনি ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষানুরাগী। নাঙ্গলকোট ও দক্ষিণ কুমিল্লায় তিনি বহু স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার উদ্যোগে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো এলাকার শিক্ষার্থীদের আলোকিত করছে।
তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—
নাঙ্গলকোট হাছান মেমোরিয়াল সরকারি ডিগ্রি কলেজ
ডা. জামানস ক্লিনিক ও হাসপাতাল
নাঙ্গলকোট বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়
ডা. জামানস কিন্ডারগার্টেন
বেগম জামিলা মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
হাছান-জামিলা ফাউন্ডেশন
শেষ প্রস্থান
পারিবারিক সূত্র জানায়, বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই মেয়ে, আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে নাঙ্গলকোটসহ দক্ষিণ কুমিল্লার সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মতামত