সারাদেশ

গাইবান্ধার বাদিয়াখালীতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা আলতাব হোসেন গংরা অসহায় পরিবারকে হত্যা ও গুম করার ভয় দেখিয়ে জমাজমি জবরদখল করে,

প্রিন্ট
গাইবান্ধার বাদিয়াখালীতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা আলতাব হোসেন গংরা অসহায় পরিবারকে  হত্যা ও গুম করার ভয় দেখিয়ে জমাজমি জবরদখল করে,

ছবি : বাদিয়াখালি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আলতাব হোসেন, গংরা


প্রকাশিত : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সন্ধ্যা ৮:১৮

গাইবান্ধার বাদিয়াখালীতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা আলতাব হোসেন গংরা অসহায় পরিবারকে  হত্যা ও গুম করার ভয় দেখিয়ে জমাজমি জবরদখল করে, 

মোহাম্মদ রেজাদুল ইসলাম রেজা ,স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধা জেলা 

 আওয়ামী লীগের  ছাত্রলীগের সভাপতি ও ভূমি দস্যু  আলতাব হোসেন ততকালীন সরকারের ক্ষমতা দেখিয়ে  এক অসহায় নারীর জমাজমি জোর করে বেদখল করে নেওয়া অভিযোগ 

গাইবান্ধা সদর উপজেলার পুরাতন বাদিয়াখালী ইউনিয়নের রিফাইতপুর গ্রামে ভুক্তভোগী এক অসহায় নারীর জমাজমি জোর জবরদখল করে নিয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী ও আওয়ামী লীগের সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি আলতাব হোসেন ও ছোট ভাই ফারুক মিয়া সহ তার গংদের বিরুদ্ধে, নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়, 

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী  ইছিতন নেছা একজন অসহায় নারী তার স্বামী মারা যাওয়ায়  পর কোন মতো কষ্ট করে  দুই ছেলে ও এক প্রতিবন্ধী মেয়ে কে  নিয়ে জীবনযাপন করতেন স্বামী হারা ইছিতন নেছা,  সেই সুযোগে  স্থানীয় প্রভাবশালী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি আলতাব হোসেনের নজর পরে তার  জমিজমার উপর এবং আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বুলডোজার চালিয়েছেন অসহায় নারী ইছিতন নেছা  উপর,  হত্যার  হুমকি  ও জিম্মির ভয় দেখিয়ে  জমিজমা সব কিছু জোর করে বেদখল করে নেয়, এবং বাড়ি ঘর নির্মাণ সহ স্কুল নির্মাণ  করেন আলতাব হোসেন ও তার ছোট ভাই ফারুক মিয়া সহ  তার গংরা, 

এ বিষয় নিয়ে অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, 

গ্রাম্যশালিসি করেও কোন প্রতিকার মেলেনি ভুক্তভোগী ইছিতন নেছার পরে সদর থানায় জমিরক্ষার একটি মামলা দায়ের করলেও প্রশাসনের কাছ থেকে কোন সহযোগিতা না পেয়ে, জেলা  সদর কোর্টে একটি ফৌজদারি দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন, মামলা নাম্বার ৪৭/১৯৯৬ ইং, দীর্ঘ  ৩০ বছর মামলা চলমান থাকা অবস্থায় ইছিতন নেছা কে  রায় প্রধান করেন, ইছিতন নেছা মামলার  ডিক্রি পাওয়ার পর কমিশন চাইলে সদর কোর্টের বিজ্ঞ বিচার বিভাগ ইছিতন নেছা কে কমিশনার না দিয়ে, মামলা টি নিয়ে তালবাহানা করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন, তাই প্রশাসন ও সরকারি সার্ভেয়ার দারা জমি বুঝিয়ে দেওয়া জন্য  সংশ্লিষ্ট বিচার বিভাগের  সুদৃষ্টি কামনা করছি, 

 গাইবান্ধা জেলা বিচার বিভাগ, ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি, ভুক্তভোগী ইছিতন নেছার মতো আর যেন কেউ কোন মামলায় হয়রানির শিকার না হয়, সে জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি,