এলাকাবাসী জানায়, দিনরাত ভাঙন চলছে। নদীর পাড়ে যেসব ঘরবাড়ি এখনো দাঁড়িয়ে আছে, তারাও একপ্রকার মৃত্যুভয়ে দিন কাটাচ্ছে। অনেকে ইতিমধ্যে অন্যত্র চলে গেছেন, বাকিরা দুঃস্বপ্নের মধ্যে দিন পার করছেন।
???? বাজার এখনো টিকে আছে, তবে খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে নদী
বাজার ব্যাবসায়ী ডা.রিপন মিয়া:ডেইলি দ্যা নিউজ টাইম কে বলেন
????️ সরকারি জিও ব্যাগও স্রোতে ভেসে যাচ্ছে, ভরসা পাচ্ছেন না মানুষ
> “সারাদিন বস্তা ফেলা হয়, আর রাতে দেখি নদীতে ভেসে গেছে। এতে কিছুই হচ্ছে না। দিনের শ্রম নষ্ট, রাতের ঘুমও হারাম।”
> “ভাঙন ঠেকাতে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় বস্তা ফেলা হচ্ছে, তবে আমরা চাই স্থায়ী সমাধান। শুধু বস্তায় কাজ হবে না।”
বসতভিটা হারানো মানুষগুলো দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও যমুনা নদীর গতিপথ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর আহ্বান জানিয়েছে এলাকাবাস।
মতামত