অ্যাকাউন্টে টাকা আছে, কিন্তু পকেটে নেই’—এমনই এক আজব সংকটে পড়েছেন গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের কয়েক হাজার গ্রাহক। ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার পর থেকেই শহরের ডাচ-বাংলা ও ইসলামী ব্যাংকের এটিএম বুথগুলো কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। টাকা না থাকায় গ্রাহকদের ভোগান্তি চরমে।
পৌর শহরের নুরজাহান কমপ্লেক্স এবং দক্ষিণ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ডাচ-বাংলা ব্যাংকের বুথগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, ভেতরটা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলেও টাকা বের হচ্ছে না। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা নিরুপায় হয়ে জানাচ্ছেন, মেশিনে টাকা নেই। অন্যদিকে, ইসলামী ব্যাংকের বুথটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে গত বুধবার (২৭ মে) থেকেই।
ভুক্তভোগী একজন গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সারাবছর ব্যাংক আমাদের কাছ থেকে সার্ভিস চার্জ, কার্ড ফি ও ট্রানজেকশন চার্জ বাবদ মোটা অংকের টাকা কেটে নেয়। অথচ জরুরি প্রয়োজনের সময়, বিশেষ করে ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে ব্যাংকগুলো আমাদের একপ্রকার জিম্মি করে ফেলেছে। এটিএম মানেই তো ২৪ ঘণ্টার সেবা, তাহলে আমরা এই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি কেন?”
অনেকেই বলছেন, ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যদি ছুটির আগে বুথগুলোতে পর্যাপ্ত টাকা মজুত রাখতেন, তবে এমন ভোগান্তি হতো না। সাধারণ কর্মজীবী থেকে শুরু করে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে টাকা উত্তোলনকারী ব্যক্তিরাও এখন দিশেহারা। স্থানীয়রা অবিলম্বে গোবিন্দগঞ্জের সব ব্যাংকের বুথে নিয়মিত টাকা সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
মতামত