ছবি : শাপলা বিক্রি করে সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে ব্যাস্ত (নানা- নাতি) " ৬০ বিঘা জমিতে করেছেন শাপলার আবাদ
শাপলা বিক্রি করে সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে ব্যাস্ত (নানা- নাতি) "
৬০ বিঘা জমিতে করেছেন শাপলার আবাদ :-
মাসুদুর রহমান]< > সম্পর্কে তারা নানা -নাতি " সংসারে বাড়তি খরচ যোগাতে , দিনের প্রয়োজনীয় কাজ শেষে প্রতিদিন বিকেলে তারা বেরিয়ে পড়েন শাপলা বিক্রি করতে। জানা গেছে, প্রতি বছর বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায় তাদের আবাদি জমি। ফলে ধান সহ অন্যান্যে চাষাবাদ করা সম্ভব হয়না বেশিরভাগ জমিতে। এই কারণে যশোর ও নড়াইলের সিমান্ত ঘেষা এগারোখান এলাকার বাবু ঋষিকান্ত এবং তার নাতি ছেলে প্রান্ত কুমার বিশ্বাস , বিকল্প হিসেবে (শাপলার) আবাদ করেছেন প্রয় ৬০ বিঘা জমিতে। এ বছর তাদের শাপলার ফলন হয়েছে ভালো। দামেও অন্যান্য বছরের তুলনায় কম নয়।সম্প্রতি, বাঘারপাড়া এলাকার সৌখিন সাংবাদিক মোঃ গোলাম রসুল সহ কয়েকজন শাপলার আবাদের কথা শুনে কৌতুহলী মনে সরেজমিনে তা দেখার উদ্দেশ্যে রওনা হয় এগারোখান গুয়া খোলার মাঠে । সেখানে গিয়ে দেখা যায় । এ যেন শাপলার বিল। বিল ভরা পানি, কয়েক একর জমি জুড়ে শুধু শাপলা আর শাপলা। অনেকক্ষণ ঘোরাঘুরীর পর দেখা মেলে সেই শাপলার ক্ষেতের কৃষকের সাথে। কথা হয় ঋষিকান্ত বাবুর সাথে তিনি বললেন, এ বছর প্রায় ৬০ বিঘা জমিতে শাপলার আবাদ করেছি। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর শাপলার উৎপাদন হয়েছে বেশি। প্রতিদিন ৩ ভ্যান করে শাপলা তোলা হয়, যার পরিমান গননা অনুযায়ী একশ, আটি। প্রতিআটি খুচরা বিক্রি হয় ১০ (দশ) টাকা হিসাবে। এতে একহাজার /১২০০ শ, টাকা আয় হয়। তার দুই নাতি ছেলে রাজমিস্ত্রির কাজ করে। শাপলা বিক্রি করে প্রতি দিন তাদের যে বাড়তি আয় হয় তা দিয়ে তারা সংসারের প্রয়োজন মিটিয়ে সংসারে সচ্ছলতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছেন।#
মতামত