ছবি : জয়পুরহাটে বেশি ভাগ সাধারণ ভোটারই জানেননা কেন গণভোট
প্রকাশিত : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, রাত ৯:৪৪
গণভোট ২০২৬, ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মূলত জুলাই সনদ বা তার সংবিধান সংশোধনী সমর্থন করে কিনা তা হ্যাঁ অথবা না এর মাধ্যমে দেশের জনগণ তার মতামত তুলে ধরবেন। কিন্তু জয়পুরহাটে বেশি ভাগ খেটে খাওয়া ভোটারই জানেন না গণভোট কেন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
জয়পুরহাটে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান গণভোটের প্রচারনামূলক ব্যানার তৈরিো করলেও তা সাধারণ ভোটারদের কাছে পৌঁছায়নি। প্রচারণায় যা আছে -
○ তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠন সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবেন।
○ সরকারি দল ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না।
○ সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু হবে।
○ বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিসমূহের সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
○ যত মেয়াদই হোক, কেউ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবে না।
○ সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়বে।
○ ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।
○ দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।
○ আপনার মৌলিক অধিকারের সংখ্যা (যেমন: ইন্টারনেট সেবা কখনো বন্ধ করা যাবে না) বাড়বে।
○ দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।
○ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকবে।
উপরোক্ত বিষয় গুলো চাইলে হ্যাঁ তে ভোট চাওয়া হয়েছে।
গণভোট বিষয়ে কথা হয় রিক্সাচালক দেলোয়ার হোসেনের সাথে, গণভোট কবে তিনি তা জানেন না। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রুস্তম আলী বলেন, হ্যাঁ ভোট দিলে ৭১ থাকবে আর না দিলে ৭১ মুছে যাবে। ভ্যানচালক শাহিনুর ইসলাম বলেন হ্যাঁ তে ভোট দিলে আমাদের আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হবে তবে কি আকাঙ্খা তা বলতে পারেননি তিনি। কলেজ ছাত্র সুবাস ও হানিফ গণভোট সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যবসায়ী বলেন গণভোটে কিছু বিষয় আছে যার সাথে আমি একমত কিন্তু কতগুলো বিষয় আছে যার সাথে আমি একমত নই, তাহলে আমি কাতে ভোট দিব? হ্যাঁ তে নাকি না তে ?
এ প্রসঙ্গে শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদৌস মৌ বলেন, আমরা স্কুলে মা ও অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের গণভোট সম্পর্কে জানাচ্ছি। কি কি পরিবর্তন গণভোটের মাধ্যমে আনতে পারবে তা তাদের বিস্তারিত ভাবে জানানো হচ্ছে।
মতামত