ঈদকে সামনে রেখে যশোর কোতোয়ালী থানাধীন চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যেদের চাঁদাবাজিতে সাধারণ ব্যবসায়ীরা অতিষ্টিত।
আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে যশোর কোতোয়ালী থানাধীন চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মামুনুর রশিদ ফাড়ী এলাকায় অবস্থিত পাইকারি রেনুপোনা মাছের বাজারে পুলিশ ফাঁড়ির ক্যাশিয়ার পুলিশ সদস্য হাসিবুর রহমানকে দিয়ে প্রতিনিয়ত টাকা উত্তোলন করছে। এছাড়াও ক্যাম্প এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে ফাঁড়ির ক্যাশিয়ার দৈনিক চুক্তিভিত্তিতে টোকেনের মাধ্যমে রমরমা মাদক ব্যবসা চলছে। ক্যাম্পের বর্তমান ক্যাশিয়ার হাসিবুর রহমান তার ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বার ০১৭৪২-১১৮২১৯ এর মাধ্যমে মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে যোগাযোগ করে অন্য নম্বরে বিকাশ/নগদের মধ্যমে টাকা গ্রহণ করে। এ বিষয় পুলিশ সদস্য ক্যাশিয়ার হাসিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানাই তার পিতা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি জানে সাংবাদিকদের নিউজে তার কিছুই হবে না। তার ভাষ্যমতে সে যেখানে যায় সেখানকার প্রায় ইনচার্জ তার পিতার পরিচিত হওয়ায় খুব সহজে সে ক্যাশিয়ারের দায়িত্ব পেয়ে যান। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা জানান বর্তমান ফাঁড়ির ইনচার্জ মামুনুর রশিদ ফঁড়িতে যোগদান করার পর হতে ফাঁড়ি এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নিকট থেকে বাজারের নিরাপত্তার কথা বলে প্রতিমাসে মাসিক হারে তাকে চাঁদা দিতে হয়। আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে চাঁচড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ এর মনোনীত ক্যাশিয়ার পুলিশ সদস্য হাসিবুর রহমান এসে জানাই ঈদের সময় তার স্যারের (ফাঁড়ির ইনচার্জ) এর এসপি/ ডিআইজি অফিসে ঈদ সালামি পাঠাতে হবে এজন্য গত মাসের থেকে এ মাসে চাঁদা দ্বিগুণ দিতে হবে। এ বিষয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ মামুনুর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি কথা বলতে অপরগতা প্রকাশ করে। ঈদকে সামনে রেখে ফাঁড়ি এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের ফাঁড়ির পুলিশের সাথে যোগাযোগ দিন দিন বেড়েই চলছে।
এলাকাবাসীর দাবি দুর্নীতি গ্রস্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে এলাকায় সু-শাসন প্রতিষ্ঠা ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিকট জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
মতামত